Monday, July 5, 2010

Rafik Azad : Bhat de Haramzada

Rafik Azad : Bhat de Haramzada

A revered freedom fighter, Rafiq Azad was born in January 20, 1943, in the remote area of Guni in Tangail. Growing up, Azad never took to any form of sport. Books always were the focal point of the renowned poet’s early life.
Having completed his primary education under the British Indian education system at from Sadhuty Middle English School, situated in a neighboring village, Azad developed a keen interest towards writing at a young age.
It was 1971. A new nation, Bangladesh was born. That year changed the course of Rafiq Azad’s life, the same as millions of others. In place of his pen, he wielded a wooden rifle.

Azad was a member of Kader Siddiqui’s ‘Kaderia Bahini’ during the war of independence. He soon received the necessary arms and equipments from the treasury, provided by then finance secretary Khondokar Asaduzzaman.

After the Bangladesh war, Azad resigned from his teaching post at MM Ali College after being recruited in the first batch (1972-1973) of the Bangladesh Civil Service (BCS).

The 1974 famine lead to one of Azad’s most famous works, ‘Bhat Dey Haramjada’. It is a piece he has a few regrets over. ‘I believe the whole incidence was artificial, manmade, but at the same time, as a poet, I could not hold back at the news of such an ill-fated occurrence,’ he says.
In the middle of June 1987 Azad had an arrest warrant issued against him. Having resigned from his post at the Bangla Academy in 1984, he was working as acting editor of the weekly Robbar, a supplement of Ittefaq. ‘The warrant was issued against me for a publication that undermined Ershad’s rule,’ he recalls. ‘I was in hiding and somehow managed a stay order from court. But that chapter of my life came to a halt when the owner of Ittefaq, Moinul Hossain informed me that he was in no position to help me as the publications of the magazine had been brought to an end, leaving me unemployed,’ says Azad with a slight grin.

Azad returned to the Bangla Academy in 1995, to help assist the ‘Young Writers Project,’ taking up the role of poetics instructor. His participation at the Bangla Academy this time around though was rather short lived as in 1996, he was appointed as director of the ‘Tribal Cultural Academy,’ in Birishiri, Netrokona.

Source: http://www.newagebd.com/2007/dec/14/dec14/xtra_inner2.html



রফিক আজাদের ভাত দে হারামজাদা

ভীষণ ক্ষুধার্ত আছিঃ উদরে, শারীর বৃত্ত ব্যেপে

অনুভূত তে থাকে প্রতিপলে সর্বগ্রাসী ক্ষুধা!

অনাবৃস্টি যেমন চৈত্রের শষ্যক্ষেত্রে জ্বেলে দ্যায়

প্রভূত দাহন তেমনি ক্ষুধার জ্বালা, জ্বলে দেহ

দুবেলা দুমুঠো পেলে মোটে নেই অন্যকোন দাবি,

অনেকে অনেক-কিছু চেয়ে নিচ্ছে, সকলেই চায়ঃ

বাড়ি, গাড়ি, টাকাকড়ি কারোর বা খ্যাতির লোভ আছে;

আমার সামান্য দাবিঃ পুড়ে যাচ্ছে পেটের প্রান্তর

ভাত চাই এই চাওয়া সরাসরি ঠাণ্ডা বা গরম,

সরু বা দারুণ মোটা রেশনের লাল চালে হলে

কোনো ক্ষতি নেইমাটির শানকি ভর্তি ভাত চাই;

দুবেলা দুমুঠো পেলে ছেড়ে দেবো অন্য সব দাবি!

অযৌক্তিক লোভ নেই, এমনকি, নেই যৌন-ক্ষুধা-

চাইনি তোঃ নাভিনিম্নে পরা শাড়ি, শাড়ীর মালিক;

যে চায় সে নিয়ে যাক-যাকে ইচ্ছা তাকে দিয়ে দাও-

জেনে রাখোঃ আমার ওসবে কোনো প্রয়োজন নেই

যদি না মেটাতে পারো আমার সামান্য এই দাবি,

তোমার সমস্ত রাজ্যে দক্ষযজ্ঞ কাণ্ড ঘটে যাবে;

ক্ষুধার্তের কাছে নেই ইস্টানিস্ট, আইন কানুন-

সন্মুখে যা-কিছু পাবো খেয়ে যাবো অবলীলাক্রমে;

থাকবে না কিছু বাকি লে যাবে হা-ভাতের গ্রাসে

যদি বা দৈবা সন্মুখে তোমাকে, ধরো , পেয়ে যাই-

রাক্ষুসে ক্ষুধার কাছে উপাদেয় উপচার হবে

সর্বপরিবেশগ্রাসী হলে সামান্য ভাতের ক্ষুধা

ভয়াবহ পরিণতি নিয়ে আসে নিমন্ত্রণ করে!

দৃশ্য থেকে দ্রস্টা অব্দি ধারাবাহিকতা খেয়ে ফেলে

অবশেষে যথাক্রমে খাবোঃ গাছপালা, নদী-নালা,

গ্রাম-গঞ্জ, ফুটপাত, নর্দমার জলের প্রপাত,

চলাচলকারি পথচারী, নিতম্ব প্রধান নারী,

উড্ডীন পতাকাসহ খাদ্যমন্ত্রী ও মন্ত্রীর গাড়ি-

আমার ক্ষুধার কাছে কিছুই ফেলনা নয় আজ

ভাত দে হারামজাদা, তা-না-হলে মানচিত্র খাবো।।

রফিক আজাদের এই কবিতাটি আবৃত্তির জন্য অনেকেই

খুঁজেনআমারও ভালা লাগে এই কবিতাটি

রফিক আজাদের শ্রেষ্ঠ কবিতা’—‘অব্যয়প্রকাশনার

১৪ ফেব্রুয়ারী ১৯৮৭ সালে প্রকাশিত গ্রন্থ থেকে তুলে দিলাম।- Albert Ashok

video

3 comments:

saikat khan said...

rly nic poem... proteti line jeno ak akti etihash...

Didarul Alam said...

কবির মৃত্যুতে গভীর শোক।
আপনার লেখাটিও দারুন হয়েছে।

Julekha Khanom said...

ওপরে লেখা রফিক আজাদের জন্ম হয়েছে ২০ জানুয়ারী ১৯৪৩। কিন্তু উইকিপিডিয়ায় লেখা ১৪ ফেব্রুয়ারী ১৯৪২। তাহলে সঠিক কোনটা?

Chaos in Wonderland: a series of paintings by Albert Ashok

"In this contemporary political scenario, Chaos is my best man. He strikes us with wonder and deception; he is an avenger as ...